🎉 উৎসব🗓 জানুয়ারি – ফেব্রুয়ারি
বিশ্ব ইজতেমা
📍 তুরাগ নদীর তীর, টঙ্গী
কবে: সাধারণত জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি (তারিখ প্রতি বছর ঘোষণা হয়)
বিশ্বের অন্যতম বড় মুসলিম সমাবেশ। দেশ-বিদেশের লাখো মানুষ তিন দিন ধরে টঙ্গীতে জড়ো হন।
💡 এই সময় ঢাকা–গাজীপুর রোডে প্রচণ্ড ভিড় থাকে, যাতায়াতের পরিকল্পনা আগে করুন।
🎪 মেলা🗓 জানুয়ারি – ফেব্রুয়ারি
লোক ও কারুশিল্প মেলা
📍 লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর, সোনারগাঁও
কবে: সাধারণত জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি, প্রায় এক মাস
জামদানি, নকশিকাঁথা, মাটির পুতুল, শীতলপাটি — সারা দেশের কারিগরদের হাতের কাজ এক জায়গায়। সাথে পানাম নগর ঘুরে আসা যায়।
💡 সকালে গেলে ভিড় কম, পানাম নগর একসাথে ঘুরে নিন।
🎉 উৎসব🗓 জানুয়ারি
শাকরাইন (ঘুড়ি উৎসব)
📍 পুরান ঢাকা — শাঁখারীবাজার, সূত্রাপুর, লক্ষ্মীবাজার
কবে: পৌষ সংক্রান্তি — সাধারণত ১৪–১৫ জানুয়ারি
পৌষের শেষ দিনে পুরান ঢাকার ছাদে ছাদে ঘুড়ি ওড়ানো, সন্ধ্যায় আতশবাজি আর মুখে কেরোসিন দিয়ে আগুনের খেলা। পুরান ঢাকার সবচেয়ে রঙিন দিন।
💡 কোনো পরিচিতের ছাদে জায়গা ম্যানেজ করুন — বিকেল থেকে সন্ধ্যা সবচেয়ে জমজমাট।
🌿 মৌসুম🗓 ডিসেম্বর – জানুয়ারি
খেজুরের রস ও পিঠার মৌসুম
📍 যশোর, রাজশাহী, ফরিদপুরসহ গ্রামবাংলা
কবে: ডিসেম্বর–জানুয়ারি
ভোরের খেজুর রস, নলেন গুড় আর ভাপা-চিতই পিঠা — শীতের গ্রামের আসল স্বাদ।
💡 কাঁচা রস নিপাহ ভাইরাসের ঝুঁকি তৈরি করে — জ্বাল দেওয়া রস বা গুড় খান।
🌿 মৌসুম🗓 ডিসেম্বর – ফেব্রুয়ারি
হাওরে অতিথি পাখি
📍 টাঙ্গুয়ার হাওর, হাকালুকি হাওর, বাইক্কা বিল
কবে: ডিসেম্বর–ফেব্রুয়ারি
শীতে সাইবেরিয়া-হিমালয় থেকে লাখো হাঁস-পাখি আসে। ভোরে নৌকায় বসে পাখি দেখা অসাধারণ।
💡 দূরবীন নিন আর পাখির কাছে শব্দ করবেন না।
ℹ️ চাঁদের হিসাবে চলা উৎসবের তারিখ প্রতি বছর বদলায় — যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে তারিখ মিলিয়ে নিন।